মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ক্যাসিনো কাণ্ডে জড়িয়ে বর্তামানে পুলিশি হেফাজতে আছেন। ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান লোকমানের এমন কর্মকান্ডের পর আজ বিসিবি তরফ থেকে নিজেদের অবস্থান জানালেন সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

আজ (শুক্রবার) দুপুরে বোর্ডের বিব্রত হওয়ার বিষয়ে পাপন বলেছেন, ‘দেখেন এখানে বিব্রত হওয়ার কিছু নেই। আমি যেটা বুঝি কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তার শাস্তি হবে। এটাতে তো কারো কোনো দ্বিমত হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। আমি এইটুক জানি। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন এটাকে ভালো না বলার কোনো কারণ নাই। কারণ, এইরকম একটা সাহসী পদক্ষেপ একমাত্র তার পক্ষেই নেওয়া সম্ভব। আর কারো পক্ষে সম্ভব না। এটা তো আজকের ব্যাপার না অনেক বছর ধরে হয়ে আসছে। আমি মনে করি, এখন যেহেতু এটা প্রক্রিয়াধীন আছে … যেমন ধরেন দুদক থেকে সম্পদের হিসাব তো অনেকের কাছ থেকেই চায়। এখনই বলা যাবে না উনি কোনো অনৈতিক বা বেআইনী কোনো কাজ করেছেন।’

লোকমান হোসেন ভুঁইয়ার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘সে ক্লাব ভাড়া দিয়েছে। যদি ক্যাসিনোর কাছে ভাড়া দিয়ে থাকে, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকে তাহলে তার বিচার হবে। এর বাইরে কিছু নাই। এটা তো না হওয়ার কোনো কারণ নাই। যারা সংশ্লিষ্ট থাকবে তারাই ধরা পড়বে, তাদেরই বিচার হবে। আমরা আশা করি, সুষ্ঠু বিচার হোক, প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়ুক। সবচেয়ে বড় কথা আমি কি প্রশাসনের কোথাও বলেছি, তাকে (লোকমানকে) যেন না ধরে? ইস্যুটা এখানে না। সিম্পল একটা ব্যাপার বলি। লোকমান হোসেন ভুঁইয়াকে যারা চেনে, যারা এখন তার বিরুদ্ধে বলছে, তাদেরও গিয়ে সত্যি কথাটা বলতে বলেন।’

‘আমি যে, লোকমানকে চিনি সে জীবনে মদ খায় নাই। সে জীবনে জুয়া খেলে নাই। এটা যেমন সত্যি আবার সে যে ক্যাসিনোর জন্য ভাড়া দিয়েছে এটাও তো সত্যি। কাজেই অস্বীকার করার তো কোনো পথ নাই। সে যদি করে থাকে তাহলে তার বিচার হবে। আমরা তাকে যেভাবে চিনি, যেভাবে জানতাম এখন প্রমাণিত হওয়ার আগে তো কিছু বলতে পারছি না যে, আসলে ঘটনাটা কি। কারণ, এখন তো অনেক কথা শোনা যাচ্ছে। দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তারা আগে দেখুক, বুঝুক আসলে কে কি করেছে। যে যা দোষ করেছে তার সেই শাস্তি হবে, এটা নিয়ে আমাদের কোনো কিছু বলার নেই।’ যোগ করেন পাপন।

মন্তব্য: