নটিংহ্যামের টেন্ট্র ব্রিজে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশকে পাহাড়সম রানের লক্ষ্য দিলো পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির বাঁধায় ৪৯ ওভারের ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৬৮ রান তুলল। অসিদের হয়ে এই ম্যাচে ওয়ার্নার একাই দেড়শতাধিক রানের ইনিংস খেলেছেন। এছাড়া খাজা ও ফিঞ্চ অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন।

টসে জিতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বড় স্কোরের ভীত গড়ে দেন ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ জুটিতে। প্রথম উইকেটে তারা দুজনে তোলেন ১২১ রান। তবে এই জুটিকে শুরুতেই থামানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ৯ রানে ব্যাট করা ওয়ার্নারের ক্যাচ মিস করেন সাব্বির রহমান।

২১তম ওভারে ফিঞ্চকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন সৌম্য সরকার। ৫১ বল থেকে ৫৩ রান করেন ফিঞ্চ। ফিঞ্চের পর ওয়ার্নারের সঙ্গে জুটি বাঁধেন খাজা। তারা দুজনে প্রায় ১৪ ওভার ব্যাট করে ১৮৬ রান তোলেন।

তবে এই জুটির প্রথমিক পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। সে সময় ১৪ রানে ব্যাট করা খাজার সহজ রান আউট মিস করেন সাব্বির। মিড অফ থেকে প্রথম সুযোগেই বল কুড়িয়ে মুশফিককে দিতে না পারায় সে যাত্রায় বেঁচে যায় খাজা।

ইনিংসে সর্বোচ্চ এই জুটির ওয়ার্নার যখন ১৪৭ বল থেকে ১৬৬ রানের ইনিংস খেলে সৌম্যর বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তখন অস্ট্রেলিয়ার দলীয় রান ৪২.২ ওভারে ৩১৩/২।

ওয়ার্নারের রাজকীয় ইনিংসটি ১৪টি বাউন্ডারির পাশাপাশি ৫টি ছক্কায় সাজানো ছিল। ওযার্নারের অর্ধশতক আসে ৫৭ বল থেকে। তবে এরপরই দ্রুত রান তোলেন তিনি। সেঞ্চুরি পূরণ করতে ১১০ বল খরচ করলেও পরবর্তী অর্ধশতক পূরণে ব্যায় করে মাত্র ২৯ বল।

এদিকে সাব্বিরের আশীর্বাদে জীবন পাওয়া খাজা ৭২ বল থেকে ৮৯ রানের ইনিংস ৪৭তম ওভারে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। যদিও এর মাঝে ১০ বলে ৩২ রানের তাণ্ডব চলিয়ে রান রুবেলের থ্রোতে রান আউট হন।
ইনিংসের ৪৯তম ওভারে মাঠে বাগড়া দেয় বৃষ্টি। এ সময় অস্ট্রেলিয়ার দলীয় সংগ্রহ ৩৬৮/৫।

বাংলাদেশের হয়ে এদিন সৌম্য ও মুস্তফিজ ছাড়া আর কেউই অস্ট্রেলিয়ার সামনে দাঁড়াতে পারেনি। দুজনেই সমান ৮ ওভার করে বল করে সৌম্য ৫৮ রানে ৩টি ও মুস্তাফিজ ৫৬ রানে নেন ১টি উইকেট।

চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো আজ সুযোগ পাওযা রুবেল ৯ ওভারে উইকেট শূন্য থেকে খরচ করেছেন ৮৩ রান।

মন্তব্য: