বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিলো স্বাগতিক ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩২.১ ওভারেই লক্ষ্যে পৌছে যায় ইংলিশরা।

বলের হিসোবে ১০৭ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে বলের হিসেবে চতুর্থ বড় জয়। এর আগে ১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮৮ বল বাকি রেখে ম্যাচ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। যা ক্রিকট ইতিহাসে এই পরিসংখ্যানে প্রথমে রয়েছে।

১৯৯২ সালের পর বিশ্বকাপে এক আসরে ইংল্যান্ড কখনোই অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারেনি। তবে এবার এই তিন দলকেই টানা হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নিলো তারা।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২২৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করেত নেমে ইংল্যান্ডকে উদ্ধোধনী জুটিতেই শতরানের জুটি উপহার দেন বোয়ারস্ট্র ও জেসন রয়। ১৬তম ওভারেই ইংল্যান্ডের সংগ্রহ শতক পেরোয়।

দলীয় ২২৪ রানে বোয়ারস্ট্রকে ৩৪ রানে থামিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম সফলতা এনে দেন স্টার্ক। এরপর দলীয় ১৪৭ রানে আম্পায়ারের বাজে সিদ্ধান্তের শিকার হন রয়। এ সময় কামিন্সের বল লেগ সাইড দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ব্যাট চালান রয়। তবে ব্যাট না লাগা সত্ত্বেও আম্পায়ার আউট দেন ৬৫ বল থেকে ৮৫ রান করা রয়কে। আগেই বোয়ারস্ট্র রিভিউ ব্যবহার করে ফেলায় হতাশা নিয়েই মাঠ ত্যাগ করেন তিনি।

রয়ের বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেটে মরগান ও রুটের অপরাজিত ৭৭ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। এ সময় রুট ৪৯ ও মরগান ৪৫ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। ফলে স্বাগতিক দল হিসেবে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠল তারা।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১টি করে উইকেট নেন স্টার্ক ও কামিন্স।

এর আগে, অস্ট্রেলিয়া ৪৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান তোলে। তাদের হয়ে স্মিথ ৮৫ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া বাকিদের মধ্যে অ্যালেক্স ক্যারি ৪৬, স্টার্ক ২৯ ও ম্যাক্সওয়েল ২২ রান করেন।

মন্তব্য: