বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়লো বাংলাদেশ দল। সাকিব ও মুশফিকের ফিফটির পর মোসাদ্দেকের ৩৫ রানের ক্যামিওতে ২৬২ রান তুলেছে টাইগাররা।

টসে হেরে সকলকে চমকে দিয়ে ব্যাটিং উদ্ধোধন করেন তামিম ও লিটন। তবে এই জুটিতে বিতর্কিত আউট হয়ে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে সার্কেলের ভিতরে ক্যাচ আউট হন লিটন। ১৭ বল থেকে ২টি চারের মারে ১৬ রান করে প্যাভিলনে ফেরত যান তিনি।

লিটনের বিদায়ের পর দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রান যোগ করেন তামিম ও সাকিব। দলীয় ৮২ রানে নবীর বল কাট করতে গিয়ে বোল্ড আউট হন তামিম। আউট হওয়ার আগে ৫৩ বল থেকে ৪টি বাউন্ডারিতে ৩৬ রান করেন তিনি। দুই ওপেনারকেই বিদায় করেন মুজিবুর রহমান।

এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন মুশফিক। এই জুটিতে ৬৬ বল থেকে আসরে নিজের তৃতীয় ফিফটি তুলে নেন সাকিব। ফিফটির পর সাকিবকে ৫১ রানে বিদায় করেন মুজিবুর। সাকিবের বিদায়ের পর চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে আসা সৌম্য ক্রিজে স্থায়ী হতে পারেননি। দলীয় ১৫১ রানে মুজিবুরের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। সৌম্য করেন ১০ বল থেকে ৩ রান।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর বাংলদেশ দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক। এই জুটিতে ৫৬ রান তোলেন তারা। তবে এই জুটির মাহমুদউল্লাহকে ২৭ রানে ফিরিয়ে খেলায় ফেরে আফগানিস্তান।

বাংলাদেশ দলের হয়ে বাকিটা পথ টেনে নিয়ে যান মুশফিক ও মোসাদ্দেক। মুশফিক ফেরেন ৪৯তম ওভারের তৃতীয় বলে। তিনি ৮৭ বল থেকে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৩ রান করেন।

তবে বাংলাদেশের হয়ে এদিন ২৪ বল থেকে ৩৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মোসাদ্দেক। তার ব্যাটিংয়ের নির্ধারিত ৫০ ওভারে শেষ ৭ উইকেটে ২৬২ রান তোলে বাংলাদেশ।

এদিন আফগানদের বোলিংয়ে ৩৯ রানে ৩টি উইকেট নিয়ে নেতৃত্বে দিয়েছেন মুজিবুর রহমান। এছাড়া নায়েব ২টি এবং নবী ও জাদরান নেন ১টি করে উইকেট।

মন্তব্য: