পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৪ রানের বিশাল পরাজয় দিয়ে বিশ্বকাপ আসর শেষ করলো বাংলাদেশ। পাকিস্তানের করা ৩১৫ রানের জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ২২১ রানে। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ একাই ধসিয়ে দেন ১৯ বছর বয়সী শাহিন আফ্রিদী। বিশ্বকাপের কনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব স্থাপন করলেন তিনি। বিশ্বকাপে পাকিস্তানি লেফটি পেসার হিসেবে একই ছয়টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। অসাধারণ পারফরম্যান্স করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি।

বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। ৭৮ রানের মধ্যেই প্যাভিলনে ফেরত যান সৌম্য ২২, তামিম ৯ ও মুশফিক ১৬।

চতুর্থ উইকটে ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৮ রানের জুটি গড়েন সাকিব ও লিটন দাস। যা বাংলাদেশকে কিছুটা সাহস যুগিয়েছিল। এই দুই ব্যাটসম্যানকেই বিদায় করেন আফ্রিদী। লিটন ২৯ ও সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ৬৪ রান।

ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেকের ৪৩ রানের জুটি বাংলাদেশের পরাজয়ের ব্যাবধান কমায়। এই দুই ব্যাটসম্যানকে একই ওভারে বিদায় জানান আফ্রিদী। মোসাদ্দেক ১৬ এবং রিয়াদ ২৯ রান করেন।

সাইফউদ্দিন এদিন আফ্রিদীকে প্রথম বলেই চার্জ করতে গিয়ে গোল্ডেল ডাক নিয়ে প্যাভিলনে ফিরে যান। এরপর মিরাজের সঙ্গে নবম উইকেটে মাশরাফি ২টি ছক্কায় ১৫ রানের ইনিংস খেলে শাদাব খানের বলে স্ট্যাম্পড হন।

৪৫ওতম ওভারে মোস্তাফিজকে অসাধারণ ইয়র্কারে পরাস্ত করে বাংলাদেশকে ২২১ রানে থামিয়ে দেন আফ্রিদী। এ সময় মিরাজ ক্রিজের অপর প্রান্তে ৭ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে যান।

পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদী ৯.১ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন ৬টি উইকেট। বাকিদের মধ্যে শাদাব খান ২টি উইকেট নেন। এছাড়া রিয়াজ ও আমির ১টি করে উইকেট নেন।

এই জয়ে ৯ ম্যাচ থেকে পাঁচ জয় ও তিনটি পরাজয় নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে থেকে আসর শেষ করলো পাকিস্তান। অন্যদিকে বাংলাদেশ ৯ ম্যাচে তিনটি জয় ও পাঁচটি পরাজয়ে টেবিলের সপ্তম স্থানে থেকে আসর শেষ করলো।

মন্তব্য: