শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ইংল্যান্ডেও এ সময় এই মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষরা রেজা রাখছেন। যেহেতু ইংল্যান্ডে এখন বিশ্বকাপের দামামা বাজছে তাই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিম খেলোয়াড়দের অনকেই রোজা রেখে মাঠে নামবেন।

তবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রোজার সময়ের পার্থক্য ভিন্ন। এবার ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে রোজা রাখতে হলে বেশ বেগ পেতে হবে। কারণ ইংল্যান্ডের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়া রেজার সময়ের পার্থক্য অনেক। ইংল্যান্ডে রোজা রাখতে হবে ১৭ ঘন্টা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ১২ ঘন্টা রোজা রাখতে হলেও ইংল্যান্ডে সেটা প্রায় ১৭ ঘন্টা। তা সত্বেও বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচেই রোজা রেখে খেলেও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন হাশিম আমলা। রোজা রেখে খেলতে তিনি বেশ স্বাচ্ছন্দ অনুভন করেন বলে জানিয়েছেন।

আমলা বলেন, ‘রোজা আসলে আমার কন্ডিশনিংয়ে খুব সাহায্য করে। রোজা হল এমন একটি বিষয় যেটার জন্য আমি অপেক্ষা করি। এটা বছরের সেরা মাস। আমি দেখেছি রোজায় দারুণ মানসিক এক্সারসাইজ হয়। পাশাপাশি পারলৌকিক বিষয়েও সাধনা হয়। এ সময় প্রাকৃতিকভাবেই কিছু কিছু ব্যাপার ঘটে যায়। সেটা এমন কিছু যেটা নিয়ে আমি খুব বেশি ভাবিনি। কিন্তু কোনো না কোনোভাবে সেটা হয়ে যাচ্ছে। যেটাতে সবাই উপকৃত হচ্ছে।’

রোজা রেখে আমলার খেলার অভিজ্ঞতা পুরনো। ২০১২ সালে লর্ডসে রোজা রেখে খেলে টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা ৩১১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তাই এবারও তার কাছে থেকে এমনই দারুণ কিছু্র অপেক্ষায় থাকবে সমর্থকরা।

মন্তব্য: