ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নেয়ার পর টাইগারদের পরবর্তী এসাইনমেন্ট পাঁচ বারের বিশ্বকাপজয়ী দল এবং টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

ম্যাচের ভেন্যু নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রীজ। কিন্তু ইতিহাসের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এবারো এই ম্যাচে হানা দিতে পারে বৃষ্টি। ইংল্যান্ডের জাতীয় আবহাওয়া এজেন্সী মেট অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১৮-১৯ জুন নটিংহ্যামে ঝড়, বজ্রপাত এবং হালকা বন্যার পূর্বাভাস দিয়ে জারি করেছে “হলুদ সতর্কতা”।

মেট অফিসের ভাষ্য অনুযায়ী ১৮ জুন বিকালের পর শুরু হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। ১৯ তারিখ সারাদিন চলবে ভারী বর্ষণ, ঝড় এবং বজ্রপাত।
অর্থাৎ, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া কোন দলই হয়তো এই দিন মাঠে অনুশীলন করার সুযোগ পাবেনা।

১৯ তারিখ সারারাত চলতে পারে বৃষ্টি। ম্যাচের দিন অর্থাৎ ২০ জুন সকালে বৃষ্টি থামার পর অল্প সময়ের জন্য সূর্য উঠতে পারে। তবে তারপর সারাদিনই থেমে থেমে বৃষ্টির সাথে মেঘলা আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ম্যাচ শুরুর সময় সকাল ১০.৩০ মিনিট। কিন্তু সকাল সাতটায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ২৮%, সকাল আটটায় সম্ভাবনা ৫৭%, সকাল নয়টায় ৮৫%।

সারারাত বৃষ্টিতে ভেজা মাঠে যদি সকালেও বৃষ্টি হয় তাহলে নির্ধারিত সময়ে টস হবার সম্ভাবনা এমনিতেই কমে যাবে। সকাল দশটায় বৃষ্টির চান্স ৫৭%।
বেলা এগারোটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত গড়ে ১৭% সম্ভাবনা থাকলেও পরে আবার বাড়তে থাকবে।

দুপুর দুইটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত গড়ে ৪৬% সম্ভাবনা বৃষ্টির।বিকাল ছয়টা থেকে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নাই।

তবে ১৮-১৯ জুন দুই দিন টানা ভারী বর্ষণ হলে ২০ জুন গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হলেও মাঠ কিন্তু হয়তো ম্যাচ খেলার উপযোগী হবেনা যদিনা কড়া রোদ পায়।
গড়ে ২০ জুন বৃষ্টির সম্ভাবনা ৮২% বলা হচ্ছে। আর বিবিসি বলছে ৬২% বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

২০০৭ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ বৃষ্টির কারনে ২২ ওভারের হয়েছিলো। ২০১৫ বিশ্বকাপে টস ছাড়াই বাতিল হয়েছিলো। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ফলাফল আসেনি বৃষ্টির জন্য। দেখাযাক এবার কি হয়।

মন্তব্য: