প্রতিটি ম্যাচকে আকর্ষণীয় করে তুলতে ম্যাচের বিবরণ দিয়ে থাকেন ধারাভাষ্যকাররা। চলতি বিশ্বকাপেও ঘটেনি তার ব্যাতিক্রম। বিভিন্ন দেশের মোট ২৭ ধারাভাষ্যকারকে এবার নিয়োগ দিয়েছে আইসিসি। তাদের মধ্যে একজন ভারতীয় সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার। তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ধারাভাষ্যের অভিযোগ এনে আইসিসিতে অভিযোগ এনেছেন এক ক্রিকেট ভক্ত।

ধারাভাষ্যকাররা যেহেতু ম্যাচ বিবরনী দিয়ে থাকেন। তাই তাদেরকে হতে হয় নিরপেক্ষ। তবে সঞ্চয় মাঞ্জেরেকার খেলার মাঝে হাতে মাইক্রোফোন পেলেই হয়ে যান যেন এক দেশপ্রেমীক। তাই সঞ্জয় মাঞ্জেরেকারের ধারাভষ্যে সারাক্ষণ ভারতের গুণকীর্তনে বিরক্ত হয়ে আইসিসিকে চিঠি লিখে অস্ট্রেলিয় নাগরিক আদি কুমার অভিযোগ করেছেন, মাঞ্জরেকার ধারাভাষ্যকার হিসেবে চরম ‘অদক্ষ’ ও ‘অপেশাদার’।

আদি থাকেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। অতিষ্ঠ হয়ে দুবাইতে আইসিসির অফিস বরাবর চিঠি লিখেছেন তিনি। বলেছেন, ‘সিডনি থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি, আইসিসি। সঞ্জয় মাঞ্জেরেকার সম্পর্কে আমার কিছু মতামত আছে। ক্রিকেট বিশ্বকাপের ধারাভাষ্য প্যানেলের যে অন্যতম অংশ। তার ধারাভাষ্য আমার কাছে চূড়ান্ত অপেশাদার ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে মনে হয়। এটা ছাড়া, অসাধারণ বিশ্বকাপ আয়োজন করছ তোমরা, ধন্যবাদ।’

মাঞ্জরেকারের ধারাভাষ্য কেন বিরক্তিকর, তার দুই-একটা উদাহরণও দিয়েছেন আদি কুমার, ‘ভারতের উইকেটরক্ষক মহেন্দ্র সিং ধোনির সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় ধোনিকে দর্শকদের সামনে “উইকেটের পেছনে আমাদের অতন্দ্র প্রহরী” বলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন মাঞ্জরেকার। এটা উচিত হয়নি। আপনি একজন ধারাভাষ্যকার। আপনার কোনো পক্ষ থাকতে পারে না। আপনি ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় “আমি”, “আমরা”, এসব শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না।’

চিঠি লিখে সে চিঠির একটা ছবি তুলে টুইটও করেছেন আদি কুমার। সঙ্গে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সঞ্জয় মাঞ্জেরেকারের ধারাভাষ্য শুনে আমি বিরক্ত। তাই আইসিসির কাছে নালিশ করেছি।’

দেখা যাক, আদি কুমারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি কোনো ব্যবস্থা নেয় কিনা, বিশ্বকাপে পক্ষপাতদুষ্ট ধারাভাষ্য বন্ধ হয় কিনা!

মন্তব্য: