‘স্যার’ শব্দটা একজন মানুষের কাছে অনেক সম্মানের বিষয়। যেমন ‘স্যার জাদেজা একবার একটা ঘুমিয়ে থাকা পর্বতের সঙ্গে খেলাধুলা করেছিলেন। ওটাকে এখন আমরা এভারেস্ট বলে জানি।’ জাদেজাকে নিয়ে ধোনির এই টুইটবার্তা অনেক আলোচিত হয়েছিল ভারত তথা বিশ্বের দরবারে।

তবে ধোনি সহ ভারতীয় ক্রিকেটের সবাই রবীন্দ্র জাদেজাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করেন। এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একবার এক শুভেচ্ছা বার্তাতে জাদেজাকে ‘স্যার’ ডেকে বসেন। তবে একটি কথা না বললেই নয় জাদেজার এই ‘স্যার’ সম্বোধনটির পিছনে যে মানুষটি সবচেয়ে বড় হাত আছে তিনি হলেন ভারতীয় ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক মাহেন্দ্রা সিং ধোনি। সবকিছু মিলিয়ে জাদেজার ধোনির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থাকা উচিত। শুরুতে একের পর এক ব্যর্থতায় ‘স্যার’ শব্দটা সেঁটে গিয়েছিল। ধোনিই ডেকে উপাধিটা উল্টো জনপ্রিয় করে তুলেন। পরবর্তীতে এই ‘স্যার’ জাদেজা অসংখ্যবার ভারতকে জিতিয়েছেন তার কোন ইয়াত্তা নেই।

তবে এবার নতুন করে আরেকটি ‘স্যার’ শব্দ যোগ হলো বাংলাদেশ দলের এক ক্রিকেটারের। তিনি হলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মোসাদ্দেকের ২৪ বলে ৫ ছক্কা ২ চারে অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংসে কঠিন ম্যাচ সহজেই জিতে ইতিহাস গড়ে টিম টাইগার। এরপরেই সোশ্যাল সাইটে মোসাদ্দেকের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে রুবেল লিখেন, ‘ফাইনাল ম্যাচের নায়ক স্যার মোসাদ্দেক হোসেন।

বলা বাহুল্য, মোসাদ্দেকের জন্য এই ‘স্যার’ উপাধি কিন্তু সম্মানের। এতে মজা পেয়ে মোসাদ্দেক নিজেও সেই পোস্টে মজার ইমোটিকন দিয়ে কমেন্ট করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘সৌম্যকে স্যার বলার পর তার ক্যারিয়ারে ধস নামছিল, সাব্বিরকে স্যার বলার পর ক্যারিয়ারে ধস নামছিল,এখন মোসাদ্দেকের পালা! কি দরকার ছিল স্যার বলার?’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ঠিক এমন একটা বাংলাদেশ টিম ই তো চেয়েছিলাম যে- যে কেউ ম্যাচ জিতানোর ক্ষমতা রাখবে।

মন্তব্য: