২০১৯ বিশ্বকাপে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটল ২০১১ বিশ্বকাপের। ২০১১ বিশ্বকাপে ইনজুরির শিকারে পরিনত হয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা আর এবার তাসকিন আহম্মেদ।

২০১১ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই মাশরাফির সঙ্গে শুরু হয় ইনজুরির নিষ্ঠুরতা। অক্টোবরে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজ খেলার সময় পায়ে চোট পান অধিনায়ক মাশরাফি।

এ সময় সাকিবকে দেওয়া হয় অধিনায়কত্বের দায়িত্ব। মাশরাফি ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ে সিরিজে ফিরেছিলেন ঠিকই। কিন্তু অধিনায়কত্ব পাননি। বিশ্বকাপের ঠিক আগে মাশরাফি লিগের খেলা চলাকালীন আবার ইনজুরিতে পড়লে ছিটকে যান বিশ্বকাপ থেকে।

ঘরের মাটিতে বিশ্বকাপে মাশরাফিকে ইনজুরি নিয়ে ঘরে বসে থাকতে হয়েছিল। সেই ইতিহাসই যেন আবার পুনরাবৃত্তি ঘটল।

২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে বসছে ক্রিকেটার নতুন বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপে এবার ইনজুরির জন্য দল থেকে ছিটকে গেলের আরেক পেসার তাসকিন আহম্মেদ। ঘরোয়া ফ্রাঞ্চাইজি লিগ বিপিএলের সিলেট সিক্সার্সের হয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ইনজুরিতে পড়েন তিনি। জানুয়ারির প্রথম দিকে ইনজুরির পড়ার পর দুই মাস ঘরে বসেই কাটিয়েছেন।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নেওয়ার তাগিদে ঘরোয়া আসার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করেন। বল হাতে ৫ ওভারে দেন ৩৬ রান। কিন্ত তাসকিনের এই পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নয় বিসিবি।সন্তুষ্ট নয় তার ফিটনেস নিয়েও। তাই মাশরাফির মতো এবারও বিশ্বকাপে জায়গা হলো না তাসকিনের।

মন্তব্য: