দারুণ সুযোগ ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে জিতলেই সরাসরি প্লে অফে চলে যেত দীনেশ কার্তিকের দল। তবে ওয়াংখেড়ের মাঠে ভাগ্য কলকাতাকে সঙ্গ দিল না। মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে ৯ উইকেটে ম্যাচ হেরে কলকাতা আসর থেকে ছিটকে গেল তারা। শেষ দল হিসেবে প্লে অফে জায়গা করে নিলে সাকিব আল হাসানের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

চার নম্বরে থাকা সানরাইজার্স এর রান-রেট +০.৫৭৭। যা পাঁচ নম্বরে থাকা কলকাতার থেকে বেশি। কলকাতার রান-রেট দাঁড়াল +০.০২৮। যার ফলে প্লে-অফ থেকে ছিটকে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এই জয়ে টেবিলের শীর্ষ স্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করল তারা।

এদিন কলকাতা প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৩২ রান তোলে ৭ উইকেটের বিনিময়ে। শুরু থেকেই কলকাতা অবশ্য চাপে ছিল না। শুভমান গিল ও অন্য প্রান্তে ক্রিস লিন চমকপ্রদ ব্যাটিং করছিলেন। ৬ ওভারের মধ্যে কলকাতা ৪৯ রানে পৌঁছে গিয়েছিল। তবে এরপর থেকে ছন্দপতন শুরু। গিল ৯ রানে আউট হওয়ার পর কলকাতার ব্যাটিং থমকে যায়। ২৯ বলে ৪০ রান করে আউট হন ক্রিস লিন। তিন নম্বরে নামা রবীন উথাপ্পা ফের একবার বিরক্তিকর ব্যাটিং করে অন্য ব্যাটসম্যানদের চাপ বাড়িয়ে দেন।

দীনেশ কার্তিক ৩, আন্দ্রে রাসেল ০, নীতিশ রানা ২৬, রিঙ্কু সিং ৪ রান করে আউট হয়োন। মুম্বাইয়ের হয়ে তিন উইকেট নেন লাসিথ মালিঙ্গা। দুটো করে উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা ও হার্দিক পাণ্ড্যে।

১৩৪ রানের লক্ষ্যটা ঘরের মাঠে মুম্বাইয়ের জন্য খুবই কম ছিল। যা তারা এক উইকেট হারিয়ে ১৬.১ ওভারেই করে ফেলে। ওপেনার কুইন্টন ডে কক ৩০ রান করে আউট হওয়ার পর রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদব বাকি কাজটি করে দেন। ৪৮ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন রোহিত শর্মা। সূর্যকুমার করেন ২৭ বলে ৪৬ রান। কলকাতার হয়ে একমাত্র উইকেটটি নেন প্রসিধ কৃষ্ণা।

মন্তব্য: