ডেভিড ওয়ার্নারকে অধিনায়ক করে বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে যাত্রা শুরু করেছিল সিলেট সিক্সার্স কিন্তু খুব একটা আশা দেখাতে পেরেছিলেননা ওয়ার্নার। ৬ ম্যাচ খেলে দলের ২ জয় পাওয়ার পর নিজে ইনজুরিতে পড়ে বিপিএল ছাড়তে হয়েছিল স্বদেশী স্মিথের মতোই।

তারপর থেকে সিলেটের পথচলা আরো কঠিন হয়ে যায়। পাকিস্তানী সোহেল তানভীরকে অধিনায়ক করে খেললেও হারের বৃত্ত থেকে বেরোতে পারছিলোনা সিলেট। তবে অলোক কাপালির অধিনায়কত্বে সিলেট যেন ফিরে পেলো নতুন জীবন। পর পর দুই দিন রাজশাহী ও খুলনাকে হারানোটা তাই বলছে। এই দুই দিনই সিলেট সিক্সার্স এর অধিনায়ক ছিলেন অলোক কাপালি।

১০ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে খুলনা যখন ছিটকে পড়ছে বিপিএল থেকে তখন সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে ৪ জয় নিয়ে সেরা ৪ এর লড়াইয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে সিলেট।

আজ খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় সিলেট। সিলেটের দেওয়া ১৯৬ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও দলের ২৭ রানে তাসকিনের বলে ১১ বলে ২০ রান করা জুনায়েদ সিদ্দিকের উইকেট হারায় তারা। দলের ৬৪ রানের মাথায় আল আমিন ১৬ রান করে আউট হয়ে গেলে ভেঙে যায় টেইলর ও আল আমিনের জুটি। তারপর ৬৮ রানে নাজমুল হোসাইন এবং দলীয় ৮২ রানে টেইলর আউট হলে সেভাবে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি খুলনা।

নাবিল সামাদের বলে রয়কে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ২৩ বল খেলে ৩ টি ৪ ও ১ টি ছয়ে ৩৪ রান সংগ্রহ করেন জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেইলর। বাকিদের মধ্যে শুধুমাত্র আরিফুল হক ২১ বলে ২৪ রান করে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু অন্যরা সব আসা যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ১৮.১ ওভারে ১৩৭ রান করে অল আউট হয়ে যায় খুলনা টাইটান্স।

সিলেটের হয়ে নাবিল সামাদ ৩ টি, তাসকিন আহমেদ ২টি উইকেট লাভ করেন। সোহেল তানভীর, এবাদত হোসাইন, মোহাম্মদ নেওয়াজ ও অধিনায়ক অলোক কাপালি ১ টি করে উইকেট লাভ করেন।

মন্তব্য: