১৯ আগস্ট আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এই ম্যাচ দিয়েই ছয় মাস বিরতির পর ক্রিকেটের অভিজাত এই ফরম্যাটে নিজেদের মেলে ধরবে টাইগাররা। তবে ম্যাচটি পড়বে না টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কাতারে।

চলতি সপ্তাহের সোমবার থেকে শুরু হওয়া কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষ হয় বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট)। চার দিনের এই ক্যাম্প শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ‘টেস্ট স্পেশালিস্ট’ খেতাব পাওয়া মুমিনুল হক।

লম্বা সময় পর অভিজাত ফরম্যাটের জন্য নিজেকে ফিট বলছেন মুমিনুল। তিনি বলেন, ‘টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগে প্রস্তুতি হিসেবে একটা ম্যাচ পাচ্ছি এটা সবার জন্য ভালো। টেস্টে মানসিকভাবে অনেক শক্ত থাকতে হয়। আর শারীরিকভাবেও ফিট থাকতে হয়। আমার ব্যক্তিগতভাবে সমস্যা হওয়ার কথা না। খেলার মধ্যেই আছি। কয়েকদিন আগেও ভারতে মিনি রঞ্জি ট্রফিতে খেলে এসেছি, খেলার মধ্যে থাকলে বিষয়টি সহজ হয়ে যায়।’

নতুন কোচ ডমিঙ্গোর কাছে থেকে কি প্রত্যাশা করছেন এমন প্রশ্নে উত্তরে তিনি বলেন, এখনও ওভাবে চিন্তা-ভাবনা করিনি। সবার একজন ব্যক্তিগত কোচ থাকে। আমি ওনার কাছ থেকে সবকিছু নিবো, এমনটা না বিষয়টা। উনি যে পরামর্শ দেবেন, যেটা আমার জন্য দরকার সেটা নিবো। আমার যদি ভালো লাগে তাহলে ওভাবে নিবো। সবকিছু মিলে হয়তো ভালোই হবে।

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ নিজের এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করেন মুমিনুল, ‘টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য ভালোই হয়েছে। কারণ আমাদের এখানে টেস্ট ক্রিকেটকে তেমন ফোকাস করা হয় না। সেই দিক দিয়ে চিন্তা করলে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ভালো হয়েছে।’

টেস্ট ক্রিকেটের বাইরে অন্য ফরম্যাট নিয়ে ভাবনা প্রসঙ্গে মুমিনুল বলেন, আমি আপাতত ওভাবে চিন্তা করছি না। টেস্ট ক্রিকেটের জন্য সবসময় বসে থাকলে হয় না। যেসব জায়গায় উন্নতি দরকার সেখানে উন্নতি করতে আপনাকে অনুশীলন সবসময়ই চালিয়ে যেতে হবে। এ কারণেই আমি বাড়তি অনুশীলন করি। আমার কাছে মনে হয় টেস্ট ক্রিকেটে যদি আমি খুব ভালো গড় নিয়ে যাই বা বিপিএলে ভালো অবস্থান নিয়ে যাই, যদি ভালো করতে পারি তাহলে ভালো একটা সুযোগ আছে।

আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচের পরই আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে বাংলাদেশের টেস্টের চ্যাম্পিয়নশিপের যাত্রা শুরু হবে। ২ বছর মেয়াদী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাংলাদেশ খেলবে মোট ১৪টি টেস্ট। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে সর্বোচ্চ ৩টি করে টেস্ট। এছাড়া ভারত, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ২টি করে টেস্ট।

মন্তব্য: