গতকাল ১৮ই এপ্রিল ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবরের মতোই এবারো শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে তারা এবং স্কোয়াডের বিচারে আরো একবার বিশ্বকাপের যোগ্য দাবিদার হিসেবে প্রোটিয়ারাই সামনে চলে আসে। ১৫ জনের মধ্যে থেকে সেরা একাদশ বাছাই করতে বেশ গলদ্ঘর্মই হতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার টিম ম্যানেজমেন্টকে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বসেরা পেসার ডেল স্টেইনের বিশ্বাস, ১৫ জনের মধ্যে যে একাদশই বাছাই করা হউক না কেন সে ১১ জনই ম্যাচ উইনার হবে। আর এই ১১ ম্যাচ উইনারই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্বকাপ এনে দিবে।

দুই বছর বিরতি দিয়ে বিরাট কোহলির দল ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে আবারো আইপিএলে খেলতে ভারতে এসেছেন ডেল স্টেইন। সেখানেই মিডিয়ার সামনে তিনি বলেন, “গত দুই আড়াই বছরে দক্ষিণ আফ্রিকা কোনো ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে, এমনটা মনে করতে পারছিনা। কিন্তু কেউ আমাদেরকে এমনি এমনি দিয়ে দেয়নি। আমাদেরকেই জিততে হয়েছে এগুলো।’ স্টেইনের দাবি প্রায় সত্যি। কারণ শেষ ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলংকার ৫-০ ব্যাবধানে হারানো সহ মোট ১৩টি সিরিজের মধ্যে ১১টিতেই জিতেছে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটাররা এবার বিশ্বকাপ ঘরে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যেই ইংল্যান্ড যাচ্ছে। এমন আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে স্টেইন বলেন, ‘আমরা দক্ষিণ আফ্রিকা যাবো একটা দারুণ স্বপ্ন এবং আশা নিয়ে। যদি আপনি জয়ের জন্যই না যান, তাহলে আপনার সেখানে না যাওয়াই উচিৎ। কিন্তু আমি মিথ্যা বলছি না। সত্যিই আমাদের দলে দুর্দান্ত কিছু ক্রিকেটার রয়েছেন।’

দারুন ফর্মে থাকা ফ্যাফ ডু প্লেসিস, ডি কক, কাগিসো রাবাদা, ইমরান তাহিররা জাতীয় দলের পাশাপাশি আইপিএলেও অসাধারণ পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তাদের দুর্দান্ত ফর্মই দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্বকাপ আনতে সহায়তা করবে বিশ্বাস স্টেইনের।

স্টেইন বলেন, ‘আমাদের অধিনায়ক ফ্যাফ। যিনি এই সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। আইপিএলে ইমরান তাহির যেন উইকেটকে নিজের পক্ষে কথা বলাচ্ছেন। একেবারে কুইন্টন ডি কক থেকে শুরু করে ১১ নম্বর পর্যন্ত- সবাই হচ্ছে ম্যাচ উইনার। আমাদের এখন কাজ হলো সেখানে যাওয়া এবং ভাগ্যের কিছু সহায়তা পাওয়া।’

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলঃ

হাশিম আমলা, ফাফ ডু প্লেসিস(অধিনায়ক), কুইন্টন ডি কক(উইকেটরক্ষক), আন্দিল ফেহলুকাও, জেপি ডুমিনি, ডেভিড মিলার, ডুয়াই প্রিটোরিয়াস, ডেল স্টেইন, লুংগি এনগিডি, এনরিচ নর্তযে, এইডেন মার্করাম, রাসেভ ভেন ডার ডাসেন, তাবারাইজ শামসি, কাগিসো রাবাদা, ইমরান তাহির।

মন্তব্য: