ইনিংসের শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৩ রান। তবে ভিন্ন কোনো সমীকরণে না গিয়ে স্যান্টার রাজস্থানকে আসরে তাদের পঞ্চম হার উপহার দেন। তবে এদিন চেন্নাইয়ের প্রয়োজন আরো একবার ৫৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথটা দেখিয়ে যায় মহেন্দ্র সিং ধোনি।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। শেষ ওভারে শার্দুল ঠাকুরের বলে ওঠে ১৮ রান। নাহলে দেড়শো রানের গণ্ডীও টপকাতে পারত না রাজস্থান। এদিন শুরুতে অজিঙ্ক রাহানে ১১ বলে ১৪ রান ও জস বাটলার ১০ বলে ২৩ রান করে শুরুটা খারাপ করেননি। তবে দুজনে ফিরে গেলে পরপর উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। তবে শেষদিকে দেড়শো রানের গণ্ডী পার করে যায় রাজস্থান।

রাজস্থানের মিডল অর্ডারে স্টিভ স্মিথ ১৫, রাহুল ত্রিপাঠী ১০, বেন স্টোকস ২৮ ও রিয়ান পরাগ ১৬ রান করলেও কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষদিকে জোফ্রা আর্চার ১৩ ও শ্রেয়স গোপাল ১৯ রান করে দলকে দেড়শো রানের গণ্ডী টপকাতে সাহায্য করেন।

১৫২ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুতেই দুই উইকেট চলে গেল চেন্নাইয়ের। কোনও রান না করে সেন ওয়াটসন ও চার রান করে সুরেশ রায়না ফিরে গেলেন। সাত রানে আউট হযে ান ফাফ দু প্লেসিও। পাঁচ ওভারের শেষে চেন্নাই ২৪-৩।

কেদার যাদব আউট হয়ে যান ১ রান করেই। ১০ ওভারে চেন্নাই ৫০-৪। ব্যাট করছেন আম্বাতি রায়ডু ও এমএস ধোনি। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে হাফসেঞ্চুরি করলেন অম্বাতি রায়ডু। ১৫ ওভারের শেষে চেন্নাই ১০১-৪। সঙ্গে রয়েছেন এমএস ধোনি। ৪৭ ব‌লে ৫৭ রান করে আউট হন অম্বাতি রায়ডু। হাফ সেঞ্চুরি করলেন ধোনিও। শেষ ওভারে চেন্নাইয়ের জিততে দরকার ১৮ রান।

৪৩ বলে ৫৮ রান করে বোল্ড হয়ে গেলেন ধোনি। তিন বলে চেন্নাইকে করতে হবে আট রান। সেখান থেকে শেষ বলে চার রান থেকে শেষ বল ওয়াইড হলে সেটা তিন রানে এসে দাঁড়ায়। ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিতে নেন স্যান্টার

মন্তব্য: