বুধবার বিপিএলে রাতের ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স ও রাজশাহী কিংসের ম্যাচ দিয়ে চট্টগ্রাম পর্বের পর্দা নামতে যাচ্ছে। এই ম্যাচে সিলেট প্রথমে ব্যাট করে সাব্বির ও পুরানের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেট ১৮৯ রান তুলতে পেরেছে। ম্যাচ জিততে রাজশাহীর প্রয়োজন ১৯০ রান।

রাজশাহীর বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সিলেট। তাদের হয়ে উদ্ধোধনী জুটিতে ব্যাট করেত আসেন আফিফ ও লিটন। তবে ব্যাট হাতে আবারো ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন লিটন। ৬ বল থেকে ১০ রান করে আরাফাত সানির বলে আউট হন তিনি।

দ্বিতীয় উইকেটে আফিফকে সঙ্গ দেন জেসন রয়। এই জুটিতে দলীয় ৪২ রানের মাথায় রয় ফিরে গেলে চাপে পড়ে রাজশাহী। তবে তৃতীয় উইকেটে আফিফ ও সাব্বির সেই চাপ কাটিয়ে উঠেন। তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ১০ ওভার শেষে সিলেটের স্কোর দাঁড়ায় ৮৫ রানে ৩ উইকেট।

তবে এরপরেই আফিফ ও সাব্বির জুটিতে ভাঙন ধরান অধিনায়ক মিরাজ। ২৫ বল থেকে ২৯ রান করে মুস্তাফিজের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলনে ফিরে যান আফিফ। পঞ্চম উইকেটে ব্যাট করতে আসেন পুরান। এ সময় তিনি সাব্বিরকে নিয়ে একপ্রান্ত দিয়ে ঝড় তোলেন। সানির করা ইনিংসের ১৪তম ওভারে নেওয়া ২২ রানের মধ্যে ২১ রান একাই তোলেন পুরান।

এদিকে হাফ সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে এদিন মাঠ ত্যাগ করেন সাব্বির। ১৬তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরে হাফ সেঞ্চুরি করেত গিয়ে বাউন্ডারিতে রায়ান টেন ডাসাকাটের হাতে ধরা দেন তিনি। রাব্বির বলে আউট হওয়ার আগে তিনি ৩৯ বল থেকে ৪৫ রান করেন। তার ইনিংসটি ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ছিল। একই ওভারে নেওয়াজ উইকেট রক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে শুন্য রানে ফেরেন।

তবে দুই ব্যাটসম্যানের দ্রুত বিদায়ে পুরান তার মারমুখি ব্যাটিং বন্ধ করেননি। ১৮তম ওভারে ২১ বল থেকে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন তিনি। চলতি বিপিএলে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি। এর আগে ২০ বল থেকে ফিফটি করেছিলেন থিসারা পেরেরা।

ফিফটির পর সিলেটর ব্যাটিং ইনিংস শেষ করে ক্রিজ ছাড়েন পুরান। তিনি এদিন ৩১ বল থেকে ৭৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসটি ৬টি বাউন্ডারি ও সমপরিমাণ ছক্কায় সাজানো ছিল।

রাজশাহীর হয়ে এদিন রাব্বি ৩০ রানে ২টি ও মুস্তাফিজ ৩১ রানে নেন ১টি উইকেট। এছাড়া মিরাজ ৩২ ও সানি ৪৮ রান খরচ করে ১টি করে উইকেট নেন।

মন্তব্য: