রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে জয় দিয়ে টেবলের তৃতীয় স্থানে উঠে আসল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সোমবার প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭১ তোলে আরসিবি। এবি ডি ভিলিয়ার্স করেন সর্বোচ্চ ৭৫ রান। জবাবে ১৯ ওভারেই ৫ উইকেটে জয় হাসিল করে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

অন্যদিকে আইপিএলের ইতিহাসে এই প্রথম আটটির মধ্যে ৭টি ম্যাচই হারল আরসিবি। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। আইপিএলে এদিনের ম্যাচে ৩১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন শ্রীলঙ্কান এই পেসার।

সোমবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে আরসিবি তুলেছিল সাত উইকেটে ১৭১ রান। ইনিংস ওপেন করতে নেমে ৯ বলে মাত্র ৮ রান করে ফিরলেন কোহলি। লড়াই করলেন এ বি ডিভিলিয়ার্স। সোমবার তিনিই হয়ে উঠলেন আরসিবি-র সেরা যোদ্ধা। শুরুর দিকে সাবলীল ছিলেন না। সতর্ক হয়ে ক্রিজে সময় কাটাচ্ছিলেন। তবে সেট হয়ে যাওয়ার পর স্বমূর্তি ধারণ করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান। ৫১ বলে ৭৫ রান করে তিনিই আরসিবি-র সর্বোচ্চ স্কোর করেন। ডি ভিলিয়ার্সের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও চারটি ছক্কা।

ডি ভিলিয়ার্সকে যোগ্য সঙ্গত করলেন মঈন আলি। ৩২ বলে তিনি করলেন ৫০ রান। পার্থিব প্যাটেল ইনিংস ওপেন করে ২০ বলে করেন ২৮। বাকিদের কেউই আর দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে বল হাতে সেরা লাসিথ মালিঙ্গা। চার ওভারে মাত্র ৩১ রান দিয়ে চার উইকেট তুলে নেন শ্রীলঙ্কার ফাস্টবোলার।

রান তাড়া করতে নেমে ৫ ওভারে কোনও উইকেট না খুইয়ে ৫৪ রান তোলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ২০ বলে ৩২ রান করেন কুইন্টন ডি কক এবং ১০ বলে ২০ রান তোলেন রোহিত শর্মা। কিন্তু বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকতে পারেননি তিনি। ১৯ বলে ২৮ রান করে মইন আলির বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। সেই ওবারেই কুইন্টন ডি কককে ফেরান মইন। ২৬ বলে ৪০ রা‌ন করে এলবিডব্লু হন তিনি। দুই ওপেনারকেই অষ্টম ওভারে ফেরান মইন আলি।

এরপরে ২৯ রান করে ফেরেন সূর্যকুমার যাদব। ইশান কিষণও মাত্র ৯ বলে ২১ রান করে ফেরেন। তবে এদিন ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। তিনি ২১ বলে ১১ রান করে কিছুটা চাপ বাড়িয়ে ফেলেছিলেন।

এ সময় মুম্বাইকে চাপ মুক্ত করেন হার্দিক পান্ডে। শেষ দু-ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ২২ রান। সেখান থেকে ১৯তম ওভারে পিটিয়ে ২১ রান তুলে মুম্বাইকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। মাত্র ১৬ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া।

মন্তব্য: