তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অভিষেক জয়ের ম্যাচে একমাত্র স্পিানার হিসেবে ছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিক। এতদিন ধরে এই কীর্তিতে বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড়ই ছিলেন তিনি। এবার তার সেই রেকর্ডে ভাগ বাসলেন আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান।

২০০৯ সালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেই জিতেছিল আফগানিস্তান, পরের বছর নিজেদের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে কানাডাকে হারিয়ে পেয়েছিল প্রথম জয় আর আজ আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে তারা পেল টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের প্রথম জয়- এ তিন জয়েই আফগানিস্তান দলে ছিলেন মোহাম্মদ নবী।টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটসহ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে রশিদ খান নিয়েছেন ৭ উইকেট।

১৯৯৭ সালে প্রথম ওয়ানডে জয়, ২০০৫ সালে প্রথম টেস্ট জয় এবং ১৩ বছর আগে ২০০৬ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়- তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের প্রথম জয়েই একাদশে ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিক।

অন্যদিকে প্রায় ২২ বছর আগে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ দল কেনিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পায় নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ওয়ানডে জয়। সে ম্যাচে বল হাতে ৩ উইকেট নেয়ার পর ব্যাট হাতেও ৭৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরষ্কার জিতেছিলেন রফিক।

২০০০ সালে টেস্ট অভিষেকের পর ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে ২২৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাটে প্রথম জয় পেয়েছিল টাইগাররা। ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে ৬৯ ও অপরাজিত ১৪ রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতেও প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রফিক।

পরের বছরই জিম্বাবুয়েকে ৪৩ রানে হারিয়ে নিজেদের প্রথম টি-টোয়েন্টি জয় পায় বাংলাদেশ। সেদিনও ব্যাট হাতে ৫ বলে ১৩ রানের ক্যামিও এবং বল হাতে ২২ রানে ১ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন রফিক।

বাংলাদেশি এ স্পিনার খেলা ছেড়ে দেয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাব আফগানিস্তানের। ২০০৯ সালে ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেন রশিদ। তিন ফরম্যাটেই দেশের প্রথম জয়ের রফিক প্রত্যক্ষ সাক্ষী হওয়ার সঙ্গে ম্যাচ জয়েও অবদান রেখেছিলেন। তবে রশিদ খান তেমন করতে পারেননি।

মন্তব্য: