জাতীয় দলের ক্রিকেটার আফিফ হোসেন ধ্রুব। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যা্চেই হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছেন। আজ সেই ইয়াংস্টার আফিফ হাসান ধ্রুব’র ২০ তম জন্মদিন।

আফিফ নামটা বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রথম উঠে আসে ২০১৬ সালের বিপিএল আসর দিয়ে। রাজশাহী বনাম চিটাগং ভাইকিংস। রাজশাহীর দলে হঠাৎ ১৬ বছরের এক কিশোরকে নামিয়ে দেওয়া হয় তমিম,গেইলদের মতো তারকার সামনে। হ্যা আমি আফিফ হোসেনের কথা বলছি।

অভিষেকেই পাঁচ উইকেট নিয়ে রাতারাতি স্টার হওয়ার গল্প। ঐদিন চিটাগং ভাইকিংসের ঘুম হারাম করে দেওয়া একজন তারকার গল্প। আজ সেই ইয়াংস্টার আফিফ হাসান ধ্রুব’র ২০ তম জন্মদিন।

২০১৬ সালে বিপিএলে রাজশাহী কিংসের হয়ে বল হাতে ম্যাজিক দেখিয়ে প্রথম নজরে আসেন। ক্রিস গেইলসহ মোট ৫ উইকেট নেন ঐদিন জাতীয় লীগে খুলনা বিভাগের হয়ে অভিষেকেই করেন সেঞ্চুরী (১৩৪)।

২০১৭ সালে বিপিএল এ খুলনার হয়েও দাপট চালিয়েছিলো ব্যাট হাতে। সেই সাথে ১৮ সালে যুব বিশ্বকাপে দলের সহ-অধিনায়ক ছিলেন আফিফ।

২০১৮ যুব বিশ্বকাপে ছিলো বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার। সেই বছর যুব বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জায়গা হয় আফিফের।সেই বছরই সিলেটের হয়ে বিপিএল এ রান করতে থাকে।

ফলাফল হিসেবে ১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সাকিব আল হাসানের ইঞ্জুরির কারনে প্রথমবারের মতো দলে জায়গা পান আফিফ। শ্রীলংকার সাথে প্রথম ম্যাচে অভিষেক হয়।

অভিষেক টি-টুয়েন্টিতে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হয় আর বল হাতে কুশল মেন্ডিসের উইকেট পায়। দল থেকে বাদ ও পড়েন সেই সিরিজেই।

এরপর ঘরোয়া আসর গুলোতে নিয়মিত পারফর্ম করে অভিষেকের ১৮ মাস পর আবার এই ট্রাইনেশন সিরিজে ডাক পান। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৪৫ রানের টার্গেটে ৬০ রানে ছয় উইকেট। তারপর সৈকতকে সাথে নিয়ে করলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি। ২৪ বলে ৫০ রান করে টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ২য় দ্রুততম ফিফটির পাশে ভাগ বসিয়ে প্রায় ছিটকে যাওয়া ম্যাচটাও জিতিয়ে আনেন।

এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৪ বল থেকে ১৬ রানে ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭ রানের আউট হন। তবে গতকাল রাতের ম্যাচ বল হাতে জ্বলে উঠলেন তিনি। আফগানিস্তানের রান ১০ ওভারে ৭৫-০ থেকে ১১ ওভারে ৭৫ -২ উইকেট। বোলারটা ছিলো আফিফ হোসেন। ৩ ওভার বল করে ১৪ টা ডট ১ মেইডেন ৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।

মন্তব্য: