চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান দলের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের বল হাতে দ্যুতি ছড়িযেছেন বাংলাদেশের স্পিনার আল আমিন হোসের জুনিয়র। প্রথম দিনে আফগানদের যে ছয়টি উইকেট পড়েছে তার চারটি তিনি একাই নিয়েছেন। বাকি দুটি নিয়েছেন পেসার সুমন খান। যার সুবাদে প্রথম দিন শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৪২ রান।

টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেওয়া আফগানিস্তান দিনের প্রথম সেশনে বিনা উইকেটে ৭৭ রান তোলে। বিরতি থেকে ফিরে উদ্ধোধনী ব্যাটসম্যান ইলসানাউল্লা ও ইব্রাহিম জাদরান দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাকিদের বাকিদের ব্যাট করার সুযোগ করে দিকে রিটায়ার্ড হার্ট নেন। ১৩৭ বলে ৭ চার ও এক ছক্কায় ৬২ রান করেন ইহসানউল্লাহ। ১২৪ বলে ৬ চারে ৫২ রান করেন ইব্রাহিম।

এসময় আফগানদের হয়ে ব্যাটিং অনুশীলন করতে আসা জাবেদ আহম্মদকে ৩ রানে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সফলতা এনে দেন সুমন। এরপর বল হাতে তাণ্ডব চালান আল আমিন।একে একে রহমত শাহ, আসগর আফগান, হাশমতউল্লাহ শাহিদি ও ইকরাম আলী খিল সাজঘরের পথ ধরেন। মুহূর্তেই আফগানিস্তানের রান ৫ উইকেটে ১৮৭।

এ সময় আফগান ব্যাটিংয়ে নতুন জুটি গড়েন মোহাম্মদ নবী ও আফসার জাঝাই। তাদের জুটি যখন ৪২ রানের তখন প্রতিরোধ গড়েন সুমন। ৭৯ বলে ৩৩ রান করা নবীকে প্যাভিলনে ফেরত পাঠান। সপ্তম উইকেটে জাঝাই ২০ ও রশিদ খান ৬ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন।

আল-আমিন ১৮ ওভারে ৩ মেডেনে ৫১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। সুমন খান ১৩.১ ওভারে ২১ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট।

প্রস্তুতি ম্যাচ হলে এই ম্যাচে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখনের দিকে সকলের নজর ছিলো। কিন্তু ১৯ ওভারে ৬৮ রান দিয়ে তিনি থাকেন উইকেট শূন্য। নেন ১টি মেডেন।

সোমবার প্রস্তুতি ম্যাচের শেষ দিনে আফগাস্তিান ব্যাটিংয়ে ইনিংস ঘোষণা দিয়ে বোলিংযে হাত ঘুড়াবে। এ সময় বিসিবি একাদশের ব্যাটিংয়ে নজর থাকবে নাইম ইসলামের উপর। লম্বা সময় ধরে তিনি ঘরোয়া লিগে ভালো পারফরম্যান্স করে আসছেন। তিনি জাতীয় দলে সুযোগ মিলছে না।

মন্তব্য: