গত শনিবার (২৭ এপ্রিল) বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে কোরআনিক ভয়েস প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালেতে উপস্থিত ছিলেন ওয়ানডে দলের অধিানয়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলের সব মুসলিম ক্রিকেটারের নামাজ আদায় করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

কোরআনিক ভয়েস প্রতিযোগিতার অংশ নিয়ে মাশরাফি কন্যা হুমায়রা মোর্ত্তজা। সেই সুবাদে অনুষ্ঠানটিতে ছিলেন মাশরাফি ও তার পত্নী সুমনা। প্রতিযোগীতায় আট বছর বয়সী মাশরাফি কন্যা হুমায়রা অসাধারণ কোরআন তোলোয়াতের জন্য অনুষ্ঠানের সভাপতি পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দেন।

এই অনুষ্ঠানের শেষের দিকে মঞ্চে উঠে হাফেজদের প্রশংসা করেন মাশরাফি। এ সময় জাতীয় ক্রিকেট দলের মুসলমান ক্রিকেটারদের নামাজ পড়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ওয়ানডে দলের এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আপনারা শুনলে হয়তোবা খুশি হবেন এই ম্যাসেজটা দিলে- আমাদের ক্রিকেট টিমের সবাই প্রত্যেকটা ছেলেই নামাজ পড়ি পাঁচ ওয়াক্ত ইনশাআল্লাহ এবং প্রায় সবাই ওমরা করে ফেলেছে।

শুধু তাই না আমরা যখন বিদেশে থাকি তখন আমাদের ইমাম সাহেব থাকেন হয় মুশফিক না হয় মাহমুদুল্লাহ। আমরা জামাত করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আমাদের ক্রিকেটবোর্ড থেকে আলাদা রুম থাকে যাতে আমরা নামাজ পড়তে পারি।’

ম্যাশ আরো বলেন, আপনারা সবাই দোয়া করবেন আমাদের জন্য। আমাদের ক্রিকেট টিম যাচ্ছে সামনে বিশ্বকাপ খেলতে, আমরা যেন ভালো কিছু করতে পারি, দেশের সম্মান বয়ে আনতে পারি, ইনশাআল্লাহ।

হাফেজদের প্রশংসা করে মাশরাফি বলেন, একটা কথা না বললেই নয় যে, আগেরবারও বলেছিলাম এবারও বলছি আমাদের দেশের অনেক হাফেজ বিদেশে গিয়ে দেশের সম্মান বয়ে নিয়ে আসছে। আমাদের সবাই চেনে, টিভিতে দেখছে বা ফেসবুকিং করছে আমরা তো কোথাও চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি এখনও।

তারপরও আমাদের চ্যাম্পিয়ান বানানো হচ্ছে। আমরা কোথাও থেকে এখনও বড় কোনো টুর্নামেন্ট জিতে আসতে পারিনি। কিন্তু আজকে আলহামদুলিল্লাহ, এরা বিদেশে গিয়ে চ্যম্পিয়ান হয়ে আসছে, রানার্সআপ হয়ে আসছে। আমি আশা করি, ইশাআল্লাহ সবাই তাদের যথাযথ সম্মান করবে।

‘এরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশেষ করে কোরান শরীফ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশের পতাকা বাইরে উড়াচ্ছে, এটা আমাদের জন্য অনেক গর্বের ব্যাপার’ বলেও মনে করেন মাশরাফি।

মন্তব্য: