গত দুই দিন ধরে অশ্বিনের মানকাড নিয়ে চলছে কড়া সমালোচনা। সেই সাথে অশ্বিনকে ধুয়ে দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে ক্রিকেট মহলের বড় বড় তারকারা। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আইপিএলে আরেকটি শব্দের ট্রেন্ড শুরু হয়ে গেলো। আর সেটি হলো ‘স্লেজিং’।

ক্রিকেট মহলে এই স্লেজিংয়ের বিষয়টি নতুন নয়। মারামারি নয়, ইশারায় (কোন কোন সময় বির বির করে শোনানো) মনের ক্ষোভ বা রাগের প্রকাশই ক্রিকেটের ভাষায় স্লেজিং। স্লেজিংয়ের ব্যবহার সব ধরণের ক্রিকেটের মাঠেই
টুকটাক হয়,তবে এটা নিয়ে সেরকম সমালোচনা হয় না। সম্প্রতি রবি চন্দন অশ্বিনের মানকাড সমালোচনার ঝড়ের কারণে এই স্লেজিংও এখন আলোচনার টেবিলে।

চেন্নাই সুপার কিংসের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ঘটে দুই ঘটনার প্রথমটা। চেন্নাই সুপার কিংসের অপর ওপেনার আম্বাতি রায়ডুকে ফিরিয়ে বেশ আগ্রাসী উদযাপন করেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ইশান্ত শর্মা। সেটা দেখে হাসেন শেন ওয়াটসন। আর সেটাই পছন্দ হয়নি ইশান্ত শর্মার, তেড়ে যান ওয়াটসনের দিকে। কিছুক্ষণ দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পরে দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ইশান্তকে সরিয়ে আনেন।

পরে ওয়াটসনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান রাবাদা। বোলিং মার্কে ফিরে যাওয়ার পথে প্রোটিয়া পেসারকে আটকান অজি অলরাউন্ডার। এতে ক্ষেপে যান রাবাদা। মেজাজ ধরে রাখতে না করে ওয়াটসনের সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হন।

উত্তাপ ছড়ানো ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে জেতে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন চেন্নাই। নেপথ্য নায়ক সেই ওয়াটসন। ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৪৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৬ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৪ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

পার্শ্বনায়ক ধোনি, আবারো দুর্দান্ত ফিনিশিং টানেন তিনি। দেখেশুনে খেলেন ৩২ রানের ইনিংস। এর আগে শিখর ধাওয়ানের ফিফটি, পৃথ্বী শ ও রিশভ পান্টের ২০ ছাড়ানো ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় দিল্লি। খেলা শেষে বাকবিতণ্ডায় জড়িতদের হাসিমুখে দেখা যায়।

মন্তব্য: