ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামীতে প্রথমে ব্যাট করে ২০৫ রানের বড় স্কোর গড়েও জয়ের মুখ দেখতে পারল না কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কলকাতার হয়ে তফাৎটা একাই গড়ে দেন রাসেল। এদিন তিনি ১৩ বল থেকে ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ৫ বল হাতে রেখে কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বিরাট কোহলির দল। পার্থিব প্যাটেলকে নিয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। পাঁচ ওভারের শেষে আরসিবির রান দাঁড়ায় ৪৯-০তে। ২৪ বলে ২৫ রান করে নীতিশ রানার বলে এলবিডব্লু হয়ে যামন পার্থিব।

দ্বিতীয় উইকেটে ৬৫ বল থেকে ১০৬ রানের জুটি গড়েন কোহলি ও ডি ভিলিয়ার্স। কোহলি ৩১ আর ডিভিলিয়ার্স ২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন। পর পর আউট হয়ে যান বিরাট ও ডিভিলিয়ার্স। ৪৯ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন বিরাট কোহলি। ৩২ বলে ৬৩ রান করেন এবি ডিভিলিয়ার্স। ২০ ওভারে বেঙ্গালুরু থামে ২০৫-৩-এ।

২০৬ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ক্রিস লিন এবং সুনীল নারিন ঝোড়ো শুরু করলেও ১০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নারিন। কিন্তু ক্রিস লিন ও রবিন উথাপ্পা জুটি কেকেআরকে টানতে থাকে। পবন নেগির শিকার দুজনেই। লিন ৪৩ আর উথাপ্পা ৩৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ২৩ বলে ৩৭ রান করে ফিরে যান নীতিশ রানা। অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক করেন ১৯ রান।

শেষদিকে ২৪ বলে প্রয়োজন ছিল ৬৬ রান। এ সময় অসাধ্য সাধন করেন রাসেল। ১৩ বলে ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৭টি ছয় মারেন রাসেল। ১৮তম ওভারে মার্কাস স্টইনিসের বলে ২৩ রান নেন রাসেল। পরে ১৯তম ওভারে টিম সাউদির বলে নেন ২৯ রান। ব্যস খেলা ওখানেই শেষ। শেষ ৬ বলে প্রয়োজন ছিল ১ রান। প্রথম বলেই ১ রান নিয়ে ম্যাচ জিতে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স।

কেকেআর এই নিয়ে চারটির মধ্যে তিনটি ম্যাচ জিতল দীনেশ কার্তিকের দল। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু পরপর ম্যাচটি ম্যাচে হারল।

মন্তব্য: